মা যে জননী কাঁদে
জসীমউদ্দীন • ১৯৬৩
মা, জননী, দেশ আর স্মৃতির আবেগকে একসঙ্গে বুনে রাখা একটি গ্রামীণ কাব্যগ্রন্থ।
কবিতার সারকথা
কেন পড়বেন
- মা ও মাতৃভূমির প্রতীকী সম্পর্ক বোঝায়
- গ্রামীণ আবেগকে দেশপ্রেমের সঙ্গে মিলিয়ে দেয়
- লোকজ বাংলার অন্তরঙ্গতা অনুভব করতে সাহায্য করে
ইন্টারনেট তথ্য
সংক্ষিপ্ত নোট
Jasimuddin-এর কাজের তালিকায় Ma Je Janni Kande (1963) / Ma Ja Janni Kanda (1963) দেখা যায়।
মাতৃত্ব ও শেকড়ের আবেগ গ্রামীণ সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দেয়।
মা যে জননী কাঁদে
জসীমউদ্দীন • ১৯৬৩
এটি একটি কাব্যগ্রন্থ — একক কোনো কবিতা নয়, বরং একাধিক রচনার সংকলন। তাই এখানে পুরো বইয়ের পাঠের বদলে এর ভাব, পরিচিতি আর তথ্যসূত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এই সংকলনের কোনো নির্দিষ্ট কবিতার পূর্ণ পাঠ যোগ করতে চাইলে আমাদের জানাতে পারেন।
কবিতার বিস্তারিত
ভাব, তথ্য আর ব্যাখ্যা একসাথে
এই গ্রন্থে মাতৃস্নেহ ও মাতৃভূমির প্রতীক একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়। জসীমউদ্দীন গ্রামীণ ভাষায় এমন এক আবেগ তৈরি করেন যেখানে মা কেবল পরিবার নয়, শেকড়ের প্রতীক হয়ে ওঠে।
কবিতার মূল আবেগ, থিম আর ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে, যাতে আপনি পড়তে, কপি করতে এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আরও কাছের কবিতা
বঙ্গমাতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মা-বাংলা, সাংস্কৃতিক পরিচয় আর দেশপ্রেমের আবেগে ভরা সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী কবিতা।
দুই বিঘা জমি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কৃষকের জমির প্রতি ভালোবাসা, জমি হারানোর বেদনা আর শেকড়ছেঁড়া জীবনের কষ্ট এই কবিতার কেন্দ্র।
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
জীবনানন্দ দাশ
বাংলার মুখ, বাংলার প্রকৃতি আর দেশজ অনুভবের আধুনিক কাব্যিক প্রকাশ।
তথ্যসূত্র
শেয়ার কপি
মা যে জননী কাঁদে জসীমউদ্দীন মা, মাতৃভূমি আর শেকড়ের আবেগে লেখা কাব্যগ্রন্থ।