বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
জীবনানন্দ দাশ • ১৯৫৪
বাংলার মুখ, বাংলার প্রকৃতি আর দেশজ অনুভবের আধুনিক কাব্যিক প্রকাশ।
কবিতার সারকথা
কেন পড়বেন
- বাংলার ভূদৃশ্যের এক শক্তিশালী আধুনিক কবিতাচিত্র
- মাতৃভূমির অনুভবকে নীরব অথচ গভীর করে
- জীবনানন্দের rural Bengal vision বুঝতে সাহায্য করে
ইন্টারনেট তথ্য
সংক্ষিপ্ত নোট
Banglapedia-তে জীবনানন্দের rural Bengal beauty and nature writing-এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ আছে।
এই কবিতা Bengali nationalism-এর imagery বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ টেক্সট হিসেবে আলোচিত।
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
জীবনানন্দ দাশ • ১৯৫৪
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর: অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড় পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দয়েলপাখি—চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম—বট—কাঁঠালের—হিজলের—অশথের করে আছে চুপ;
ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;
মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে
এমনই হিজল—বট—তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ
দেখেছিল; বেহুলাও একদিন গাঙুড়ের জলে ভেলা নিয়ে—
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চড়ায়—
সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,
শ্যামার নরম গান শুনেছিল,—একদিন অমরায় গিয়ে
ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিল ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিল পায়।
কবিতার বিস্তারিত
ভাব, তথ্য আর ব্যাখ্যা একসাথে
জীবনানন্দ বাংলার প্রকৃতি ও ভূখণ্ডকে এমন এক আধুনিক ভাষায় ধরেছেন, যা দেশপ্রেমকে লোকজ আবেগের বাইরে নিয়ে যায়। গ্রাম, নদী, ক্ষেত আর আকাশ এখানে জাতীয় স্মৃতির একটি রূপ।
কবিতার মূল আবেগ, থিম আর ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে, যাতে আপনি পড়তে, কপি করতে এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আরও কাছের কবিতা
রূপসী বাংলা
জীবনানন্দ দাশ
বাংলার গ্রাম, প্রকৃতি, ম্লান প্রেম আর নীরব সৌন্দর্যকে ঘিরে জীবনানন্দ দাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কাব্যসংকলন।
বঙ্গমাতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মা-বাংলা, সাংস্কৃতিক পরিচয় আর দেশপ্রেমের আবেগে ভরা সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী কবিতা।
মা যে জননী কাঁদে
জসীমউদ্দীন
মা, জননী, দেশ আর স্মৃতির আবেগকে একসঙ্গে বুনে রাখা একটি গ্রামীণ কাব্যগ্রন্থ।
তথ্যসূত্র
শেয়ার কপি
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতি ও মাতৃভূমির অনুভবের আধুনিক কবিতা।