বঙ্গমাতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর • ১৮৯৬
মা-বাংলা, সাংস্কৃতিক পরিচয় আর দেশপ্রেমের আবেগে ভরা সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী কবিতা।
কবিতার সারকথা
কেন পড়বেন
- দেশপ্রেমের কাব্যিক ভাষা দেখায়
- মাতৃভূমিকে আবেগপূর্ণ প্রতীকে পরিণত করে
- জাতীয় চেতনার প্রাথমিক বাংলা কণ্ঠস্বরগুলোর একটি
ইন্টারনেট তথ্য
সংক্ষিপ্ত নোট
এই কবিতাটি Chaitali-র অংশ হিসেবে প্রকাশিত।
উপনিবেশিক প্রেক্ষাপটে বাংলা-সত্তার আত্মসম্মান জাগানোর উদ্দেশ্য এতে স্পষ্ট।
বঙ্গমাতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর • ১৮৯৬
পুণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে উত্থানে
মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানে।
হে স্নেহার্ত বঙ্গভূমি, তব গৃহক্রোড়ে
চিরশিশু করে আর রাখিয়ো না ধরে।
দেশদেশান্তর-মাঝে যার যেথা স্থান
খুঁজিয়া লইতে দাও করিয়া সন্ধান।
পদে পদে ছোটো ছোটো নিষেধের ডোরে
বেঁধে বেঁধে রাখিয়ো না ভালোছেলে করে।
প্রাণ দিয়ে, দুঃখ স'য়ে, আপনার হাতে
সংগ্রাম করিতে দাও ভালোমন্দ-সাথে।
শীর্ণ শান্ত সাধু তব পুত্রদের ধরে
দাও সবে গৃহছাড়া লক্ষ্মীছাড়া করে।
সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,
রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ কর নি।
কবিতার বিস্তারিত
ভাব, তথ্য আর ব্যাখ্যা একসাথে
এই কবিতায় রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভূমির সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও জাতিগত আত্মচেতনার কথা বলেছেন। ভাষা, মাটি আর পরিচয়ের বন্ধনকে তিনি মাতৃরূপে কল্পনা করেছেন।
কবিতার মূল আবেগ, থিম আর ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে, যাতে আপনি পড়তে, কপি করতে এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আরও কাছের কবিতা
দুই বিঘা জমি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কৃষকের জমির প্রতি ভালোবাসা, জমি হারানোর বেদনা আর শেকড়ছেঁড়া জীবনের কষ্ট এই কবিতার কেন্দ্র।
রূপসী বাংলা
জীবনানন্দ দাশ
বাংলার গ্রাম, প্রকৃতি, ম্লান প্রেম আর নীরব সৌন্দর্যকে ঘিরে জীবনানন্দ দাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কাব্যসংকলন।
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
জীবনানন্দ দাশ
বাংলার মুখ, বাংলার প্রকৃতি আর দেশজ অনুভবের আধুনিক কাব্যিক প্রকাশ।
মা যে জননী কাঁদে
জসীমউদ্দীন
মা, জননী, দেশ আর স্মৃতির আবেগকে একসঙ্গে বুনে রাখা একটি গ্রামীণ কাব্যগ্রন্থ।
তথ্যসূত্র
শেয়ার কপি
বঙ্গমাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাতৃভূমি, ভাষা আর পরিচয়ের আবেগে লেখা কবিতা।