উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরইসলামি মীরাস / ফারায়েজ হিসাব
কে কে জীবিত আছেন বেছে নিন — কোরআন ও ফারায়েজের নিয়মে প্রত্যেক উত্তরাধিকারীর অংশ, শতকরা হার ও টাকার পরিমাণ সহজ বাংলায় জেনে নিন। ফ্রি, লগইন ছাড়াই।
মৃত ব্যক্তির তথ্য
দাফন-কাফন, ঋণ ও অসিয়ত (সর্বোচ্চ ১/৩) বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তির পরিমাণ দিন।
জীবিত উত্তরাধিকারী
বণ্টনের ফলাফল
উত্তরাধিকারী নির্বাচন করুন
বাঁ পাশ থেকে জীবিত আত্মীয়দের যোগ করলেই বণ্টন দেখা যাবে।
মীরাস সম্পর্কে জরুরি কথা
আগে যা বাদ যায়
সম্পত্তি বণ্টনের আগে দাফন-কাফনের খরচ, মৃতের ঋণ এবং অসিয়ত (সর্বোচ্চ ১/৩) পরিশোধ করতে হয়।
অংশের ভিত্তি
কোরআনে নির্ধারিত অংশ (ফরুজ) আগে দেওয়া হয়, তারপর অবশিষ্ট অংশ আসাবা (অবশিষ্টভোগী) আত্মীয়রা পান।
ছেলে ও মেয়ে
ছেলে ও মেয়ে একসাথে থাকলে ছেলে মেয়ের দ্বিগুণ অংশ পায় (২:১ অনুপাতে)।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
❓উত্তরাধিকার বণ্টনের আগে কী কী বাদ দিতে হয়?
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে প্রথমে দাফন-কাফনের খরচ, এরপর তার সমস্ত ঋণ পরিশোধ এবং বৈধ অসিয়ত (সর্বোচ্চ মোট সম্পত্তির ১/৩) কার্যকর করতে হয়। এসব বাদ দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে, সেটিই উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন হয়।
❓ছেলে ও মেয়ের অংশ কেন আলাদা?
ইসলামি বিধানে ছেলে মেয়ের দ্বিগুণ অংশ পায় (২:১)। এর কারণ ছেলের ওপর স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণসহ আর্থিক দায়িত্ব বেশি, আর মেয়ের সম্পত্তি সম্পূর্ণ তার নিজের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
❓স্বামী ও স্ত্রী কত অংশ পান?
সন্তান (বা পৌত্র-পৌত্রী) থাকলে স্বামী পান ১/৪ এবং স্ত্রী পান ১/৮। সন্তান না থাকলে স্বামী পান ১/২ এবং স্ত্রী পান ১/৪। একাধিক স্ত্রী থাকলে তারা এই অংশ সমানভাবে ভাগ করে নেন।
❓আউল ও রদ্দ কী?
নির্দিষ্ট অংশের যোগফল পুরো সম্পত্তির চেয়ে বেশি হলে সবার অংশ আনুপাতিক হারে কমানো হয় — একে আউল বলে। আর অংশের যোগফল কম হলে এবং অবশিষ্টভোগী না থাকলে বাকি অংশ (স্বামী/স্ত্রী বাদে) অংশীদারদের ফেরত দেওয়া হয় — একে রদ্দ বলে।
❓এই হিসাব কি চূড়ান্ত?
এটি বেশিরভাগ সাধারণ পরিবারের জন্য নির্ভুল প্রাথমিক হিসাব দেয়। তবে জটিল ক্ষেত্রে (যেমন একাধিক স্তরের আত্মীয়, বিশেষ মাযহাবি মতভেদ) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে একজন আলেম বা মুফতির পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
⚠️ এই ক্যালকুলেটর সাধারণ ও বেশিরভাগ পরিবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হিসাব দেয়। প্রকৃত সম্পত্তি বণ্টন জটিল হতে পারে — চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে একজন নির্ভরযোগ্য আলেম/মুফতি বা ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।