মাটির কান্না
জসীমউদ্দীন • ১৯৫১
মাটি, দুঃখ, কৃষকের পরিশ্রম আর গ্রামের বেদনা নিয়ে লেখা এক শক্তিশালী লোকজ কাব্যধারা।
কবিতার সারকথা
কেন পড়বেন
- কৃষকের দুঃখকে সাহিত্যিক সম্মান দেয়
- মাটি আর মানুষের সম্পর্ককে গভীর করে
- গ্রামের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করে
ইন্টারনেট তথ্য
সংক্ষিপ্ত নোট
জসীমউদ্দীনের বইয়ের তালিকায় ১৯৫১ সালের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে উল্লেখ আছে।
গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কথাবার্তা ও অনুভূতি এতে বিশেষ জায়গা পেয়েছে।
মাটির কান্না
জসীমউদ্দীন • ১৯৫১
এটি একটি কাব্যগ্রন্থ — একক কোনো কবিতা নয়, বরং একাধিক রচনার সংকলন। তাই এখানে পুরো বইয়ের পাঠের বদলে এর ভাব, পরিচিতি আর তথ্যসূত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এই সংকলনের কোনো নির্দিষ্ট কবিতার পূর্ণ পাঠ যোগ করতে চাইলে আমাদের জানাতে পারেন।
কবিতার বিস্তারিত
ভাব, তথ্য আর ব্যাখ্যা একসাথে
মাটির কান্না গ্রামীণ জীবনের শ্রম, ক্ষয় আর আশা-নিরাশাকে এক কাব্যিক ভাষায় তুলে ধরে। কৃষক, জমি আর প্রকৃতির সম্পর্ক এখানে আবেগের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত।
কবিতার মূল আবেগ, থিম আর ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে, যাতে আপনি পড়তে, কপি করতে এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আরও কাছের কবিতা
ধানক্ষেত
জসীমউদ্দীন
ধানক্ষেত, চাষাবাদ আর কৃষকের শ্রমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা গ্রামীণ কাব্যধারা।
দুই বিঘা জমি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কৃষকের জমির প্রতি ভালোবাসা, জমি হারানোর বেদনা আর শেকড়ছেঁড়া জীবনের কষ্ট এই কবিতার কেন্দ্র।
রাখালী
জসীমউদ্দীন
পশুপালন, মাঠ, শিশু-কিশোরের দিন আর গ্রামের সাদাসিধে শ্রমজীবন নিয়ে গড়ে ওঠা কাব্যগ্রন্থ।
তথ্যসূত্র
শেয়ার কপি
মাটির কান্না জসীমউদ্দীন কৃষক, মাটি আর গ্রামের বেদনার এক মানবিক কাব্যগ্রন্থ।